ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ , ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মহানগরীজুড়ে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী সহ গ্রেফতার ২৩ রাজশাহীতে জাপানি ভাষা শিক্ষা ও স্কিল স্থাপনে আগ্রহ জাপানি ব্যবসায়ীদের মহানগরীজুড়ে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী সহ গ্রেফতার ২৩ গুরুদাসপুরে অপমৃত্যুর সুরতহালে গিয়ে জনরোষের শিকার ২ পুলিশকে ক্লোজড রাজশাহীতে সারের সংকট নেই, ডিসি আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীর সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেফতার ও শাহমখদুমে বিপুল পরিমান মদ জব্দ মায়েদের সম্পৃক্ততায় রান্না করা খাবার পৌঁছাবে প্রাথমিকের শিশুদের কাছে পত্নীতলায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষায় রিপোর্ট নির্ভর নয়, ফলাফলভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডিভোর্স লেটার পেয়ে প্রাণ দিলেন স্ত্রীর ‘নয়ছয়ে’ মৃত্যুশয্যায় থাকা যুবক ছেঁড়া পোশাক ও রক্তাক্ত হয়ে বাড়ি ফেরে স্কুলছাত্রী, অতঃপর... অশ্লীল চ্যাটিং ও পরকীয়া করে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন প্রধান শিক্ষক ঘুমন্ত গৃহবধূর দুই কান ছিঁড়ে সোনা লুট নিয়ামতপুরে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবার চোখের সামনেই হারিয়ে গেল সোহাগী, পুকুর থেকে উঠল নিথর দেহ আত্রাইয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, রাজশাহী বিভাগে দ্বিতীয় মানসীও পেলেন সম্মাননা হাতে চলে কাঁচি, হৃদয়ে বাজে সুর

সব তিক্ততা ভুলে আচমকা দীপিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ কঙ্গনা!

  • আপলোড সময় : ১২-০৬-২০২৬ ০৬:০৮:০২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৬-২০২৬ ০৬:০৮:০২ অপরাহ্ন
সব তিক্ততা ভুলে আচমকা দীপিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ কঙ্গনা! ছবি: সংগৃহীত
বলিউডে নিজের স্পষ্টভাষী মনোভাবের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। যে কোনও বিষয়েই নির্দ্বিধায় নিজের মতামত প্রকাশ করতে তিনি পিছপা হন না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র জগতের অন্দরের নিরাপত্তাহীনতা, হিংসা নিয়ে মন খুলে কথা বললেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর সমসাময়িক অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের কাছ থেকে তিনি ঠিক কী শিখেছেন, সে কথাও এবার খোলাখুলিভাবে জানালেন কঙ্গনা।

সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রানাউত জানান, অনেক মানুষকে দেখে তিনি অবাক হয়ে যান, কারণ তাঁদের মধ্যে এক গভীর নিরাপত্তাহীনতা কাজ করে। তাঁর মতে, কারও কাছে বস্তুগত কী আছে বা কী নেই, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল মানুষের নিজস্ব মানসিকতা। কঙ্গনার কথায়, ‘নিরাপত্তাহীনতা, হিংসা কিংবা অন্যের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা—এই অনুভূতিগুলো কমবেশি সবার মধ্যেই থাকে। কিন্তু সেগুলোকে নিজের ওপর কতটা প্রভাব ফেলতে দেওয়া হবে, সেটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমি কখনও এই নেতিবাচক অনুভূতিগুলোকে নিজের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে দিইনি।’ অভিনেত্রী আরও যোগ করেন, তিনি এমন বহু আকর্ষণীয় ও আত্মবিশ্বাসী মানুষকে দেখেছেন, যাঁদের কাছে সবকিছু থাকা সত্ত্বেও চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণে তাঁরা নিজেদের ছোট মনে করতে শুরু করেন, যা তাঁদের ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

কঙ্গনা জানান, অভিনয়জীবনের একেবারে শুরুতেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে কোনও ধরনের হিংসা বা নিরাপত্তাহীনতাকে নিজের ব্যক্তিত্বের অংশ হতে দেবেন না। তিনি স্পষ্ট বলেন, ‘আমার কাছে কিছু থাকুক বা না থাকুক, আমি কখনও সেই ধরনের মানুষ হতে চাইনি, যে অন্যের সাফল্যে অস্বস্তি বোধ করে।’ নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘যদি কেউ আমার চেয়ে কম প্রতিভাবান হন, তাহলে আমি তাঁকে সাহায্য করব এবং পরামর্শ দেব। আর যদি কেউ আমার চেয়ে বেশি প্রতিভাবান হন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁর কাছ থেকে শিখব। সেখানে নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্নই আসে না।’

নিজের শুরুর দিনগুলির কথা স্মরণ করে কঙ্গনা জানান, মাত্র ১৫-১৬ বছর বয়সে গ্রামের বাড়ি থেকে মুম্বইয়ে এসেছিলেন তিনি। তখন তিনি অনেক কিছুই জানতেন না, এমনকি অর্থপূর্ণভাবে কথা বলাটাও তাঁর কাছে ছিল এক বড় চ্যালেঞ্জ। তাই তিনি চারপাশের মানুষদের পর্যবেক্ষণ করেই নিজেকে তৈরি করেছেন। সহ-অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, ‘দীপিকা এবং আমার সমসাময়িক অনেক অভিনেত্রীর স্পোর্টস ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল। আমার ছিল সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড। আমি দেখেছি, ফিটনেস ও শরীরচর্চা নিয়ে ওরা কতটা নিয়মানুবর্তী। সেই শৃঙ্খলা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি।’ কঙ্গনার মতে, অন্যের সৌন্দর্য, প্রতিভা বা গুণাবলিকে স্বীকার না করলে সেই গুণগুলো থেকে নিজের শেখা সম্ভব নয়। তিনি বিশ্বাস করেন, কাউকে সুন্দর, প্রতিভাবান বা দক্ষ বলতে পারলেই তার কাছ থেকে শেখার সুযোগ তৈরি হয়; উন্নতি করতে হলে প্রশংসা করতে জানতে হবে।

বর্তমান সময়ের সামাজিক পরিবেশ নিয়েও সাক্ষাৎকারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কঙ্গনা। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ৭০, ৮০ এবং এমনকী ৯০-এর দশকেও মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও আন্তরিকতা অনেক বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে মানুষ একে অপরের সঙ্গে মেলামেশা অনেক কম করেন। বিশেষ করে মেয়েরা পরস্পরের প্রশংসা করতে কুণ্ঠাবোধ করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কঙ্গনার মতে, পারস্পরিক সম্মান, অন্যের প্রশংসা এবং একে অপরের কাছ থেকে শেখার মানসিকতাই সমাজ ও চলচ্চিত্র জগতে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মহানগরীজুড়ে পৃথক অভিযানে জুয়া ও মাদক কারবারী গ্রেফতার ১০

মহানগরীজুড়ে পৃথক অভিযানে জুয়া ও মাদক কারবারী গ্রেফতার ১০